বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭

মায়ানগরী

                                  মায়ানগরী
                                  শর্মিষ্ঠা দে






ছোটবেলায় যখন চিত্রহার দেখতাম,বরফে ঢাকা পাহাড়ে নায়ক নায়িকা নেচে নেচে গান গাইছে কিম্বা বিদেশের রাস্তায় ফোয়ারার পাশে তাদের গান, অনেক সময়তেই সেসব দৃশ্য দেখে মনে হত একছুটে ওসব জায়গায় যেতে পারলে কি ভালই না হত।

তা বলে না ইচ্ছা থাকলে ঠিক কোন না কোনভাবে উপায় হয়েই যায়। বাইরে না যেতে পারি খোদ ভারতে বসেই সেইসব  বাইরের দৃশ্য উপভোগের সুযোগ এসে গেল।
কিভাবে? সেই কথাই আজ বলব। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটা ট্রেনিং এর জন্য গিয়েছিলাম হায়দ্রাবাদ।আগে অন্ধ্রপ্রদেশে থাকলেও এখন জায়গাটি তেলেঙ্গানা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।

তা শীতকালে দক্ষিনভারত ঘোরার পক্ষে বেশ মনোরম।ট্রেনিং একদিন আগেই যখন শেষ হয়ে গেল তো কি মনে হল নেটে বসে ওখানকার প্যাকেজ ট্যুর দেখতে গিয়ে চোখে পড়ল জায়গাটার কথা। সারাদিনের ট্যুর।ব্যস, সাথে সাথে ফোন করে বাস বুক করে ফেললাম একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতার আশায়, অবশ্য নিরাশ হতে হয়নি।

সকাল সকাল বাসে চেপে চললাম।বেশ একঘণ্টার কাছাকাছি চলার পর একটা জায়গায় বাস থামল, সেখান থেকে সবাইকে জড়ো করে আবার আরেকটা বাসে করে নিয়ে চলল, অবশেষে দেখতে পেলাম সেই বহু পরিচিত ফলক, বলিউড কলিউড বা টলিউড এর বহু সিনেমার শুরুতেই দেখা যায় যে বিখ্যাত লোগোটি।

                                                     ছবি- রামোজি ফিল্ম সিটি


হ্যাঁ, একদম ঠিক ধরেছেন। আমি রামোজি ফিল্ম সিটির কথাই বলছি। শুরুতে যে গ্রুপ ড্যান্সের মাধ্যমে আমাদের অভিবাদন জানানো হল তা এককথায় অনবদ্য।তারপর সবাই প্রবেশ করলাম মায়ানগরীর অন্দরমহলে।প্রথমেই ছিল স্পেস স্টেশন। মাথা ঘোরে বলে এড়িয়ে গেলাম।

ভাবলাম  বরং দেখে নেওয়া যাক ফিল্ম তৈরীর খুঁটিনাটি।ধারাভাষ্য অনুসরণ করে যে বাড়িটিতে ঢুকলাম সেখানে দেখান হচ্ছিল ফিল্ম কিভাবে তৈরী হয়। শ্যুটিং থেকে শুরু করে এডিটিং করে রিলিজ অব্ধি।আহা, নিজেকে ফিল্ম এর কুশিলব বলেই মনে হচ্ছিল তখন।

এক জায়গায় দেখলাম সিনেমায় ব্যবহৃত ভিন্টেজ কার রাখা ছিল কয়েকটা, জায়গাটা অনেকটা বিদেশের ধাঁচে বানান। তা সবাইকে ছবি তুলতে দেখে আমিও তুলে ফেললাম একখানা নিজস্বী।

এরপর গেলাম এক নতুন শো দেখতে- “লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন”। ফ্লুরোসেন্ট লাইটে তাদের পারফরম্যান্স কিন্তু আজও মনে গেঁথে আছে। সত্যিই অসাধারন কাজ ছিল।
আবার সারিবদ্ধ ভাবে চললাম পরবর্তী কি দেখা যায় তা দেখতে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, এখানে যতবার খুশি যত শো দেখতে পারেন,কেউ কিছু বলবেনা। সারাদিন নিজের মত সময় কাটান। তবে এত বিনোদনের উপকরন চারিপাশে ছড়ান যে একটা দেখার পর আর দ্বিতীয়বারের জন্য সময় পাওয়া যায়না।

    যাক নেক্সট দেখেছিলাম “দি স্ট্যান্টম্যান শো”।সিনেমাতে স্ট্যান্টের কাজ কিভাবে হয় তাই দেখান হয়েছিল সেখানে, একটা ড্রামার মাধ্যমে।

এতক্ষন অবধি ঘুরছিলাম কিন্তু একটা জিনিস বুঝেছিলাম বেশ কিছুটা ঘোরার পর যে এই যে রামোজির এই বিভিন্ন অনুষ্ঠানগুলি একেকটা বিভাগ বা স্পেশাল জোনে পড়ে। যেমন লাইট শোটা ছিল ইউরেকা বিভাগের, আবার ফিল্ম তৈরী দেখেছিলাম স্পিরিট অফ রামোজিতে।

শো দেখে আশেপাশে ঘুরতে ঘুরতে সামনে দেখলাম একটা অদ্ভূত দেখতে বাস, চেপে বসলাম সেটায়।দেখাই যাক এবারে আবার কি অভিজ্ঞতা হয়।বাসটা আমাদের নিয়ে চলল ছায়াছবির দেশে। যেতে যেতে পড়ল তারা রা রাম্পম ছবির সেই ফোয়ারা, যার পাশে হয়েছিল ওই সিনেমার টাইটেল সং এর দৃশ্য।আরে সত্যিই তো, আবার বিষ্ময় কাটতে না  কাটতে দেখলাম মাহিশোর প্যালেস, মানে অবিকল তারই আদতে গড়া। যার ভিতরটা নাকি আবার বৃন্দাবন প্যালেস। যত দেখছিলাম অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম। সত্যিই মায়ার দেশ।কি নেই এই দেশে- বিমানবন্দর , হস্পিটাল, একখন্ড রাজস্থান থেকে শুরু করে জেলখানা সবই মজুত রামোজিতে।যেন সব পেয়েছির দেশ।
দেখলাম মাইথোলজিকাল সেট।মনে হচ্ছিল আরে, মহাভারত সিরিয়ালে পাশার খেলার দৃশ্য , এখানেই তো হয়েছে। সব কেমন যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছিল ।

                                                  ছবি - ভিন্টেজ বাস


বাস নামিয়ে দিল এক সুন্দর বাগানে। আরে, কি মজা, এখানেই তো ডার্টি পিকচার ফিল্ম এর “হু লা লা ” গানটির শ্যুটিং হয়েছিল। ওই যেন দেখা যাচ্ছে বিদ্যা বালানকে, এমনটাই মনে হচ্ছিল। সবকিছু পরিপাটি করে সাজান।
                                                            ছবি- এই ফোয়ারাটি মনে পড়ছে?

দেখলাম বাটারফ্লাই বাগানে প্রজাপতির চাষ, রংবেরঙ এর পাখিদেরও দেখা মিলল এখানে, রামোজির বার্ড পার্কে।দেখতে পেলাম বনসাই বাগানও।সেসব কথা লিখতে গেলে একদিনে শেষ হবেনা।

ফান্ডুস্তানে গিয়ে তো মনে হছিল আমারও বুঝি বয়েসটা কমে গিয়েছে হঠাত করে।দাদাজিন লাইভ টিভি শো দেখে কখন যে আমিও ছোটদের মত হাততালি দিয়ে উঠেছি জানিনা।বোরাবোরার গুহাতেও ছিল হাজার মজা।বৃষ্টিতে যদিও ভেজা হয়নি, দূর থেকেই রেন ড্যান্স দেখে ক্ষান্ত হতে হল।

                                                                    ছবি- মাইথোলজিকাল সেট

প্রায় ২০০০ একর জায়গার উপর গড়ে ওঠা এই ফিল্ম সিটি তৈরীর অভিনব ভাবনাটি রামোজি গ্রুপের , যা পরবর্তীকালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিল্মসিটি হিসাবে গ্রিনেজ বুক অফ রেকর্ডে নাম তুলেছে।সারাদিন ঘরা,প্রচুর আনন্দ সবকিছুর সাথে এখানকার রেস্টুরেন্টে হায়দ্রাবাদের বিখ্যাত বিরিয়ানির স্বাদ নিতে ভুলিনি একেবারেই।
আর শপিং না করি, মিনাবাজারে গিয়ে উইন্ডো শপিংটাও সেরে ফেলেছিলাম।

সাম্প্রতিক সুপারহিট ছবি বাহুবলীর  বিখ্যাত মাহেশমতির সেটটিও এখানেই তৈরী করা হয়েছে। এখানে প্রবেশমূল্য ১২৫০ টাকা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য। এছাড়া আছে স্পেশাল “বাহুবলী প্যাকেজ”, যার মূল্য প্যার ২৫০০ টাকার মত, যদিও এতে খাবারের মূল্যও ধরা থাকে।

সারাদিনের প্রোগ্রাম হিসাবে আপনার আগামী গন্তব্যে রাখতেই পারেন রামোজি ভ্রমণ, নিরাশ হবেননা।
চিত্রজগত থেকে বাস্তব জগতে ফিরে আসার সময় মনপ্রান ভরে গেলেও একটা ছোট্ট ইচ্ছা রয়ে গ্যাছে, শুনেছিলাম ভূতুড়ে জায়গা হিসাবে তালিকায় রামোজির নাম বেশ উপরের দিকেই। সেই অভিজ্ঞতাটা এবারের মত বাকিই রয়ে গেল।সে নাহয় আবার অন্য কোন বারে হবে- এই ভেবে চললাম বাসে।পিছনে পড়ে রইল রামোজি লেখা বিশাল ফলক – একা, নতুন মানুষের অপেক্ষায়।






বুধবার, ১৪ জুন, ২০১৭

শিবঠাকুরের আপন দেশে





বরফেমোড়া ভারমোরের মন্দির চত্বর 

ভারমোর, হিমালয়ের প্রত্তন্ত প্রান্তে এক পাহাড়ঘেরা  দেশ- রূপোলি চূড়ায় চারপাশ মোড়া , বাইরের মানুষের আনাগোনা সেভাবে নেই বললেই চলে, সেখানকার মানুষেরা আছে নিজের মত,আনন্দে উৎসবে মগ্ন।

বাঙালী, বরাবরই ভ্রমনপ্রিয় জাতি হিসাবে পরিচিত। এই সময় কয়েকদিনের ছুটিতে অনেকেই তো বেড়িয়ে পড়ে পাহাড় কিম্বা সমুদ্রের হাতছানিতে,  হোক না  কেন আমাদের এবারের গন্তব্য সেই দেশে যেখানে আছে মন্দির -  মৃত্যুর দেবতার।

হিমাচলের বিখ্যাত ভ্রমণস্থল তথা জেলাসদর চাম্বা থেকে মাত্র ষাট কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ছোট্ট শহরটি কিন্তু একেবারেই অজানা তা নয়, এটি বিখ্যাত মনিমহেশ যাত্রার জন্য। হ্যাঁ, মনিমহেশ যাত্রার সূচনা হয় এই স্থান থেকেই। পঞ্চকৈলাশের মধ্যে একটি হল হিমাচল প্রদেশে অবস্থিত মনিমহেশ কৈলাশ। এই ভারমোর গ্রামে মাতা ব্রহ্মানীর মন্দিরে পূজা দিয়েই এই যাত্রার শুভারম্ভ হয় শ্রাবন মাসে। তখন এখানে একমাসের জন্য এক বিশাল মেলা চলে।ভারত তথা বিশ্বের অন্য প্রান্ত থেকেও তীর্থযাত্রীরা আসে।

ভারমোর বা পুরানমতে যার নাম ব্রহ্মপুরা।৯২০ খ্রীষ্টাব্দে রাজা মেরু বর্মনের হাতে প্রতিষ্ঠিত এই শহর আজও সাধারন পর্জটকদের কাছে অধরাই থেকে গেছে অনেকাংশে।

ভারমোর সম্পর্কে কথিত আছে, ব্রহ্মানীর বাগিচা হিসাবে একে মানা হত, এ থেকেই নামের সৃষ্টি। এই নিয়ে একটি বিখ্যাত লোকগাথা প্রচলিত আছে।
শোনা যায়, প্রায় ৭০০০ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত হিমালয় ঘেরা এই সুন্দর শহরে আগে মাতা ব্রহ্মানী বাস করতেন। তিনি ছিলেন ব্রহ্মচারিনী। তাই পুরুষের আগমন ছিল নিষিদ্ধ।একবার ভস্মাসুর দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ভগবান শিব যখন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন সেসময় তিনি দেবীর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। দেবী প্রথমে আপত্তি জানালেও শিবের অনুরোধে রাজী হন আর শিবকে জায়গা ছেড়ে নিজে কিছুটা উপরে এক পর্বতে থাকতে যান এক রাতের জন্য।

দেবীর পুরুষবিদ্বেষের কথা জ্ঞাত হয়ে শিবঠাকুর এক রাতের মধ্যে সেই স্থলে চুরাশিটি শিবলিঙ্গের ও মন্দিরের স্থাপনা করেন। সেই মন্দির আজও ভারমোরে বিরাজমান “ চুরাশি মন্দির কমপ্লেক্স” রূপে।
চুরাশি মন্দির চত্বর 


ফিরে এসে এই দৃশ্য দেখে দেবী সহজাতভাবেই খুব ক্রোধিতা হন আর তৎক্ষনাৎ সেই স্থান ত্যাগ করার সংকল্প করেন। দেবীর ক্রোধ প্রশমিত করার জন্য শিবঠাকুর বর দেন যে কৈলাশ যাবার আগে দেবীর পূজা না করে গেলে যাত্রা অসম্পূর্ন থাকবে। তাই আজও এই প্রথা বিদ্যমান।পাহাড়ের উপরে দেবীর পূজা সেরে কুন্ডে স্নান করে তবে যেতে হয়। দেবীর মন্দির পাহাড়ের উপরে, আশেপাশের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মনে হয় বুঝিবা কোন অন্য জগতে চলে এসেছি।

চুরাশি মন্দির কমপ্লেক্স ভারমোরের এক অন্যতম  দ্রষ্টব্য স্থান। এখান থেকে দাঁড়িয়ে হিমালয়ের মনোরম দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।
চুরাশি মন্দির কমপ্লেক্সে শিবঠাকুরের মূর্তি ছাড়াও আছে নৃসিংহ ঠাকুরের মন্দির, চিত্রগুপ্তের মূর্তি আর আছে ধর্মরাজের মূর্তি- যা সারা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র এখানেই আছে। এই সম্পর্কে একটা কথা শোনা যায়- মৃত্যুর পর আত্মাকে এখানে আসতে হয়। এখানেই নাকি চলে বিচারসভা। কর্মের হিসাবের খাতা মিলিয়ে দেখা হয় আত্মার গন্তব্য নরক না স্বর্গ, আর সেই মত তার সামনে খুলে যায় অদৃশ্য দরজা। যে দরজা নাকি রইয়েছে এই মন্দিরে। কাহিনীর সত্যাসত্য বিচার করার উপায় নেই , অন্তত  জীবিতকালে, কিন্তু বেশ অদ্ভূত একটা অনুভূতি হচ্ছিল এই লোকগাথা স্থানীয় পূজারীর মুখ থেকে শোনার সময়।

ভারমোর শুধু মনিমহেশই না, আরও কিছু ট্রেক রুটের কেন্দ্রস্থল আর প্রচুর বিদেশীর সমাগম ঘটে এখানে এখানে, সেইসব অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ নিতে। এখান থেকে মনিমহেশ ছাড়াও কুগতিপাস, ইন্দ্রহার পাস ট্রেক, ছোবিয়া পাস ট্রেক প্রভৃতি বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার ট্রেক আয়োজিত হয় ভারমোর ট্রেকিং গ্রুপের উদ্যোগে।
ভারমোর থেকে হাডসার যাবার পথে আছে সেই জায়গা, হাডসার,  যেখান থেকে শুরু হয় মনিমহেশের জন্য পদব্রজে যাত্রা। যাত্রার প্রধান দ্বারের সাথেই আছে শিব পার্বতীর যুগলমূর্তি। সেখানে পুজা দিয়েই শুরু হয় পবিত্র কৈলাশযাত্রা।
মনিমহেশ কৈলাশ যাত্রাপথের  শুরুতে পথের  দৃশ্য


ভারমোর থেকে হাডসার হয়ে আরো কিছুটা এগোবার পথে পড়েছিল অপূর্ব কিছু জলপ্রপাত। বিশাল আকার নিয়ে গর্জন করে তাদের ঝাঁপিয়ে পড়া দেখতে দেখতে কেটে যেতে পারে বেশ কিছুটা সময়।
আর যার কথা না বললে এ লেখা অসম্পূর্ন থেকে যায় তা হল, ভারমোরের বিখ্যাত সোনালি আপেল, যা স্বাদে অপূর্ব, কিন্তু তার সৌভাগ্য আমাদের কমই হয় , কারন তার প্রায় বেশীরভাগটাই চলে যায় বিদেশে।

ভারমোর থাকার জন্য আছে সরকারি বনবাংলো, যার বুকিং ডালহৌসি থেকে হয়,অনলাইনেও করা যেতে পারে।কেউ চাইলে ee-bhar-hp@nic.in এই মেল আইডিতে যোগাযোগ করতে পারে। আছে হিমাচল টুরিজমের রেস্ট হাউসও। আছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হোটেল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল হোটেল ভারমোর ভিউ(৯৮১৬৫৯৮১৩০), হোটেল চৌরাশি, হোটেল গৌরিকুন্ড প্রভৃতি।


আর যাবেন কিভাবে?কোলকাতা বা দিল্লী থেকে ট্রেনে করে চলে যান পাঠানকোট রেলস্টেশনে, সেখান থেকে বাস বা ট্যাক্সিতে যেতে পারবেন ভারমোর। সরাসরি বাস আছে, অথবা চাম্বাতে একরাত থেকে তারপরেও  যেতে পারেন।

 ডালহৌসি থেকে বা চাম্বা থেকে রয়েছে এইচআরটিসি এর বাস। অথবা ডালহৌসি ট্যাক্সি ইউনিয়ন থেকে সরাসরি ট্যাক্সি বুক করে দুপাশের অসাধারন দৃশ্য আর রবি নদীর বয়ে চলাকে সাক্ষী রেখে চলে আসতেই পারেন এই সুন্দর শহরে, প্রকৃতির নির্জনতার মাঝে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেতে।






সাম্প্রতিকতম লেখা

মায়ানগরী

                                  মায়ানগরী                                   শর্মিষ্ঠা দে ছোটবেলায় যখন চিত্রহার দেখতাম,ব...